দারুচিনি অত্যন্ত সুস্বাদু মসলা। অসাধারণ স্বাদের জন্যই এর কদর বিশ্বব্যাপী।
উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া,
আফ্রিকা, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের কিছু দেশে ঝালজাতীয়
খাবারে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে ইউরোপ ও আমেরিকায় বিভিন্ন
মিষ্টি খাবারের স্বাদে ভিন্নমাত্রা আনতে দারুচিনির বেশি ব্যবহার দেখা যায়।
আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে
এর চাষ হচ্ছে। ২৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চীনে ওষুধ হিসেবে এর ব্যবহারে প্রমাণ
পাওয়া যায়। দারুচিনি দিয়ে প্রাচীন মিসরে শ্বাসকষ্টের ওষুধ বানানো
এবং মাংস সংরক্ষণ করা হতো। সপ্তদশ শতাব্দীতে দারুচিনি ডাচ্
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য সবচেয়ে লাভজনক মসলায় পরিণত
হয় এবং এদের মাধ্যমে সারা বিশ্বের রান্নাঘরে আধিপত্য বিস্তার করে।
১) দারুচিনিতে আছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট।
২) পরিপূর্ণ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদানে ভরপুর।
৩) ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস ইনফেকশনের যম।
৪) রক্তে চিনি কমায়।
৫) হৃদ্যন্ত্রের যত্ন নিতে ব্যবহৃত হয়।
৬) স্মৃতিশক্তিজনিত রোগ প্রতিরোধ করে।
৭) আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
Country Origin: Sri Lanka